মোবাইল ফোন আমদানি’র দ্বায়িত্ব নিয়ে ভারতকে ডব্লিউ.টি.ও তে নিয়ে গেল জাপান - Songoti

মোবাইল ফোন আমদানি’র দ্বায়িত্ব নিয়ে ভারতকে ডব্লিউ.টি.ও তে নিয়ে গেল জাপান

Share This



বার্তা প্রতিবেদন : World trade Organization এর একটি ফাইল থেকে মঙ্গলবার জানা যায় যে, জাপান ভারতের মোবাইল ফোন, বেস স্টেশন, রাউটার এবং সার্কিট বোর্ড সংক্রান্ত অভিযোগ জানিয়েছে WTO এর সদর দপ্তরে। জাপানের অভিযোগ, আইনি বিরোধের প্রথম ধাপ, ভারত বলেছে যে সেপ্টেম্বর এ ২০১৪ সালে “মেক ইন ইন্ডিয়া” প্রচারাভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ভারত ক্রেতা শুল্ক সহ বিভিন্ন কর সমন্বয় করে দেশিও উৎপাদন কে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছিল। জাপানে উল্লেখযোগ্য সুদের পন্য গুলির কিছু দাম এখন WTO দ্বারা অনুমদিত হারের “স্পষ্টভাবে বেশি” ছিল বলে জাপান জানিয়েছে। ভারতে WTO সদস্য পদে উল্লেখ করা হয়েছে, যে সকল বিতর্কিত পন্যের আমদানি শুল্ক শুন্য শতাংশ ছিল, কিন্তু ভারত মোবাইল ফোন এবং বেস স্টেশন গুলিতে ২০ শতাংশ এবং ১০ শতাংশ, ১৫ শতাংশ, ২০ শতাংশ শুল্ক অন্যান্য পন্যে প্রয়োগ করে, জাপান বলেছে। আন্তর্তিজাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র, জাতিসঙ্ঘ এবং WTO যৌথ উদ্দ্যগে সরবরাহকৃত বানিজ্য তথ্য জাপান দেখিয়েছে ভারতে মোবাইল ফোন আমদানি মূল্য ৫৩ মিলিয়ন ডলার ২০১১ সালে এবং ৪৩ মিলিয়ন ডলার ২০১২ সালে কিন্তু ২ মিলিয়ন ডলার এর ও কম গত শতকের অন্যান্য বছর গুলিতে। ভারতে মোবাইল ফোন আমদানি হয় মূলত চিন থেকে তবে ডেটা অনুযায়ী যদিও ভারতের বিদেশি ফোন এর ক্ষুধা খুব তাড়াতাড়ি ই মিটে যায় কারন মোট আমদানি মূল্য ২০১৪ সালে ৭.১ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০১৮ সালে ১.৫ বিলিওন ডলার এ এসে দাঁড়ায়।
ভারত ২০১৮ সালে মোট ৫.৭ বিলিয়ন ডলার এর সুইচার এবং রাউটার আমদানি করে যা প্রায় সবটাই চিন এবং ভিয়েতনাম থেকে যেখানে জাপান থেকে আমদানি ছিল ৫২ মিলিওন ডলার এর যা ভারতীয় আমদানি বাজারের ১ শতাংশ ও নয়।
WTO এর নিয়ম অনুযায়ী ভারতের কাছে ৬০ দিন সময় রয়েছে এই বিবাদ মেটানোর জন্য, তারপরে জাপান WTO এর কাছে ভারতের বিরুদ্ধে বিচার সভা বসানোর আর্জি জানাতে পারে।।

No comments:

Post a Comment

Pages