সুইচ অন ফাউন্ডেশনের মিশন মাস্ক ফর এভরিওয়ান - Songoti

সুইচ অন ফাউন্ডেশনের মিশন মাস্ক ফর এভরিওয়ান

Share This
শ্রীজিৎ চট্টরাজ: বিশ্ব জুড়ে আজ করোনা ভাইরাস অতি মারী হিসেবে দেখা দিয়েছে।ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গও এর ব্যতিক্রম নয়। লকডাউন চলছে। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অন্ধকারময় সময়। প্রশাসনিক স্তরে আপৎকালীন মোকাবিলার কাজ চলছে।চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যকর্মী , পুলিশ একযোগে বিপদ প্রতিহত করার কাজ করছেন।পাশাপাশি সামাজিক প্রাণী হিসেবে দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়বদ্ধতা আছে প্রশাসনের পাশে এসে দাঁড়া নোর। এগিয়ে এসেছেন বহু মানুষ। কেউ ব্যক্তিগতভাবে।কেউ সাংগঠনিক ভাবে।বহু সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও নেমে পড়েছে কো ভিড় ১৯ এর বিরুদ্ধে।


কলকাতার এমনই এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুইচ অন ফাউন্ডেশন। তাঁদের প্রকল্প করুণার অন্তর্গত কার্যক্রমে এই মুহুর্তের মিশন মাস্ক ফর এভরি ওয়ান। সংস্থার প্রাণপুরুষ  পরিচালক এবং অ্যাক্টস এর প্রতিষ্ঠাতা বিনয় জাজু জানিয়েছেন, রাজ্যের পাঁচটি জেলায় জেলার পল্লী উন্নয়ন সংগঠনের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্বনির্ভর নারীগোষ্ঠীর প্রায় দুশো উদ্যোক্তাদের  দশ হাজার প্রান্তিক স্তরের মহিলাদের হোয়াটস অ্যাপ  এ  প্রশিক্ষণ দিয়ে মাস্ক তৈরি শেখানো হয়েছে। এই এস এইচ জি মহিলা উদ্যোগীদের স্টার্ট আপ কিট সরবরাহ করা হয়। মাস্ক তৈরি,বিপণন ও বিতরণে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে সুইচ অন ফাউন্ডেশন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার মাস্ক কোভিড় ১৯ এর বিরুদ্ধে যারা প্রথম সারিতে থেকে লড়ছেন, তাঁদের বিলি করা হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের সহযোগিতায়  সংগঠনের এই সামাজিক কাজে   এগিয়ে এসেছেন জার্মান কনস্যুলেট জেনারেল। তারা এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে ২ হাজার পি পি ই কিট ও ৩ লাখ পুনর্ব্যবহারযোগ্য মাস্ক তৈরিতে আর্থিক দান দিয়েছেন।bএই প্রসঙ্গে জার্মান ডেপুটি কনসাল জেনারেল জর্জেন টমাস শ্রভ বলেছেন, পৃথিবীর এই সংকটময় মুহূর্তে সব মানুষকে মানবিকতার দীক্ষায়  দীক্ষিত হয়ে এক হতে হবে। সংগঠনের পক্ষে এবং অ্যাক্ট স এর তরফে সম্পাদক বিজয় আগরওয়াল জানান, ভারত সরকারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অ্যাড ভাইজারের পরামর্শ মত একশো শতাংশ সূতির তৈরি তিন স্তরের এই মাস্ক যা সংগঠন উৎপাদন করেছে রাজ্য সরকার তা হাসপাতালে ব্যবহারের উপযুক্ত বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।


সুইচ অন ফাউন্ডেশন প্রকল্প করুণার অন্তর্গত মিশন মাস্ক এভরি ওয়ান  একদিকে যেমন প্রান্তিক স্তরের নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে  তেমনই রাজ্যের নাগরিক সুরক্ষার কর্মযজ্ঞে ব্রতী হয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কর্তব্য হিসেবে ভেবে বিরামহীন কাজ করে চলেছে। মানব সমাজের কল্যাণ হোক জীবনের ব্রত।এই কথাই তুলে ধরতে চায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুইচ অন ফাউন্ডেশন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages