পানীয় জলের অপচয় রুখতে জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন বাসিন্দাদের - Songoti

DEBI SAMMAN ADVERTISEMENT

পানীয় জলের অপচয় রুখতে জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন বাসিন্দাদের

Share This
দেবাশিস ঘোষ ,চাঁচল : বেশিরভাগ ট্যাপকলেরই মুখে স্টপকক নেই। খোলা মুখ বেয়ে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণে পরিস্রুত পানীয় জল ঝরে পড়ছে । পানীয় জলের অপচয় রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন জানালেন  গ্রামবাসীরা। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর -১ ব্লকের মহেন্দ্রপুরে পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা।

   পি এইচ ই -র নলবাহী ট্যাপকলগুলির মুখ লাগানো সহ প্ল্যাটফর্মগুলিও মেরামতির দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ওই পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্ভুক্ত  বেশ কিছু গ্রাম এখনও পি এইচ ই - র পানীয় জলের পরিষেবার আওতায় নেই। সেই গ্রামগুলোতে  পি এইচ ই - র  পানীয় জলের পরিষেবা চালু করারও দাবি রয়েছে তাদের। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে , রামপুরে পুকুরের পাশে ট্যাপকলটির  মুখ খোলা থাকার  জন্য অবিরত ধারায় সেখানে জল পড়ছে। ওই এলাকায় আরও ৫টি ট্যাপকলেও একই অবস্থা রয়েছে। মহেন্দ্রপুর গ্রামে ঢোকার মুখে রাস্তার পাশে ট্যাপকলটিরও প্রায়ই একই অবস্থা রয়েছে । ওই এলাকার মোড়ল পাড়াতেও বেশ কিছু ট্যাপকলের মুখ খোলা রয়েছে। অন্যদিকে ভবানীপুর এলাকায় রাস্তার দুই ধারে একাধিক ট্যাপকলের মুখ খোলা থাকার জন্য প্রচুর পরিমাণে জল নষ্ট হচ্ছে।  আরও  জানা গেছে , ওই এলাকায় প্রায় ২০০ টি ট্যাপকলেরই মুখ খোলা। বিপুল পরিমাণে পানীয় জল ঝরে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা  আলমগীর হোসেন ,মহম্মদ সামিম , ইনসানুর আলিরা বলেন ,  "


ট্যাপকলগুলির মুখ খোলার থাকার জন্য পি এইচ ই -র পানীয় জল পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। জলের অপর নাম জীবন। জীবনের অপচয় মেনে নেওয়া যায় না।  ট্যাপকলগুলির মুখ লাগানোর জন্য পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি ।" তারা আরও বলেন , "মহেন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দারা পি এইচ ই -র পানীয় জলের পরিষেবা পাচ্ছেন না। সেখানে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে । পরিষেবা চালু করারও দাবি তোলা হয়েছে। "মহেন্দ্রপুর পঞ্চায়েত প্রধান জয়নাব নেশা বলেন, " এই পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ২০০ টি বেশি পিএইচ -র ট্যাপকল  রয়েছে । দীর্ঘদিন ধরেই অধিকাংশ ট্যাপকলেরই মুখ খোলা রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই প্রচুর পরিমাণে পানীয় জল পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।গ্রামবাসীদের তরফ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। ব্লক প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। পি এইচ ই  দফতরেও বিষয়টি জানাবো। "মালদহ জেলা পরিষদের নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ মর্জিনা খাতুন বলেন , " আমাদের বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান হল জল।অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। পানীয় জলের যথেচ্ছ অপচয় নয়। ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে এই সম্পদকে আমাদের সংরক্ষণও করতে  হবে | আমাদের সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে। পানীয় জলের অভাব হলে আগামী দিনে সভ্যতারও সংকট দেখা দিতে পারে। চেন্নাই , রাজস্থানের পানীয় জলের সংকটের ঘটনা গোটা দেশকে ভাবিয়ে তুলেছে    তিনি আরও বলেন , " জল সংরক্ষণে আমাদের রাজ্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়েছেন | জনচেতনার লক্ষ্যে রাজ্য জুড়ে পালিত হচ্ছে  অথচ  ট্যাপকলের মুখ আটকানোর ব্যবস্থা নেই |পড়ে পড়ে পানীয় জল যেভাবে অপচয় হচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না | সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে  বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই কথা বলছি | ব্লক প্রশাসনের কাছেও জানান হবে | " ব্লক প্রশাসন জানায় , সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে খুব শীঘ্রই পদক্ষেপ করা হবে | সংশ্লিষ্ট দফতরের যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় তা দেখা হবে | পি এইচ ই  জানায় , খুব শীঘ্রই পদক্ষেপ করা হবে।।

No comments:

Post a Comment


Debi Samman

Pages