শতাব্দী প্রাচীণ ইস্টবেঙ্গলের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন - Songoti

DEBI SAMMAN ADVERTISEMENT

শতাব্দী প্রাচীণ ইস্টবেঙ্গলের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন

Share This

 ভারতের প্রথমসারির সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সংস্থা তথা ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের সদ্যনির্বাচিত ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট লিমিটেড সম্প্রতি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আসন্ন ইন্ডিয়ান সুপার লীগে (২০২০-২১)শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ রূপে নব সৃজন শতাব্দী প্রাচীণ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে আরও অনুপ্রেরণা দেবে।

বিশেষ এই উদ্যোগে সমর্থন করার জন্য শ্রী সিমেন্ট তার প্রথম অফিশিয়াল বার্তায় আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফুটবল স্পোর্টস ডেভলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল) এর প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানীকে।

“হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লীগের ২০২০-২১ সিজনের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আজ একটি লিখিত চুক্তি সাক্ষরিত হল। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অসীম অনুপ্রেরণা, পথনির্দেশন ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাব। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়াবিভাগের উন্নতির বিষয়ে সদা সচেষ্ট, এবং এই বিষয়ে আমরাও সহমত পোষণ করি”, অফিশিয়াল প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এই কথা জানান শ্রী সিমেন্ট লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী হরিমোহন বাঙ্গুর।

শ্রী বাঙ্গুর আরও জানান “ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এর কার্যকরী উদ্যোগ এবং নীতা আম্বানীর প্রেরণাদায়ক ভূমিকা এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের গৌরবময় ধারা অব্যাহত রাখতে অবিচল। তাই এঁদের কাছেও আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য হল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রাচীণ গৌরবকে পুনরুজ্জীবিত করা। দলের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলতে চাই, ক্লাবের সাফল্য সুনিশ্চিত করতে আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না”। 

“হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লীগে অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই উচ্ছসিত। প্রতিটি সম্ভাব্য উপায়ে দলের পারফরম্যান্সের উন্নতিই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আমাদের পক্ষ থেকে সেরাটুকু দেওয়ার চেষ্টায় আমরা শপথ নিয়েছি। আশা করছি প্রথম সিজনেই ইস্টবেঙ্গল অনুরাগীদের সন্তুষ্ট করতে পারব” জানালেন শ্রী সিমেন্টের জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী প্রশান্ত বাঙ্গুর।

তিনি আরও বলেন, “ফুটবল শুধুমাত্র বাঙালীর আবেগই নয়, এটি বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। আর বাংলার ফুটবল বলতে যে দলগুলির নাম প্রথমেই মনে আসে তার মধ্যে ইস্টবেঙ্গল অন্যতম প্রধান। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ ইকোসিস্টেম সুদৃঢ় করা এবং খেলোয়াড়দের উপযুক্ত পরিকাঠামো প্রদান করার চেষ্টা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পতাকা মাথা উঁচু করে উড়তে থাকুক। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গলের অগণিত সমর্থক, অনুরাগীদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ”। 

No comments:

Post a Comment


Debi Samman

Pages