দীর্ঘ ৭ বছরের আইনি লড়াই শেষ, ফাঁসি নির্ভয়ার ৪ দোষী'র - Songoti

দীর্ঘ ৭ বছরের আইনি লড়াই শেষ, ফাঁসি নির্ভয়ার ৪ দোষী'র

Share This

পায়েল পাল, কলকাতাঃ ২০১২ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর অভিশপ্ত রাত, চলন্ত বাসেই ধর্ষিতা হন প্যারামেডিকেলের ছাত্রী নির্ভয়া। এক নাবালক সহ ৬ জন মিলে পাশবিক অত্যাচার চালায় নির্ভয়ার উপর। অত্যাচারের ভয়াবহতায় শিউরে ওঠে ভারত।দোষীদের শাস্তি'র জন্য পথে নামে লক্ষ লক্ষ মানুষ। ২০১২ থেকে ২০২০ দীর্ঘ আইনি লড়াই চলেছে। অপরাধের ৭ বছর ৩ মাস পর ফাঁসি হল ৪ অপরাধীর।অভিযুক্ত বাসের চালক রাম সিংহ জেলের ভিতরেই আত্মঘাতী হয়েছে।অভিযুক্ত নাবালক ৩ বছর সংশোধনাগারে থেকে মুক্তি পায় এবং বাকি চার জনদোষীদের বাঁচার আইনি লড়াইয়ের শেষ রাস্তাটুকু বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবারই চূড়ান্ত হয় যে শুক্রবার কাকভোরে ফাঁসি দেওয়া হবে ৪ জনকে। তবে মধ্যরাতেও একপ্রস্থ আইনি লড়াই চলে। প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয় ৪ দোষী। রাত আড়াইটেয় আদালত বসে। চলে শুনানি। কিন্তু দীর্ঘ শুনানির পর দোষীদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দেয় বিচারপতি আর ভানুমতী, বিচারপতি অশোক ভূষণ ও বিচারপতি এএস বোপান্নার বেঞ্চ।রাষ্ট্রপতির খারিজ করে দেওয়া প্রাণভিক্ষার আবেদনের উপর শীর্ষ আদালতের বিচারের এক্তিয়ার সীমিত। আগেই ফাঁসি চূড়ান্ত হয়েছে। একই প্রসঙ্গ বার বার আদালতের কাছে উত্থাপন করা যায় না। মূলত এই মর্মে দোষীদের প্রাণভিক্ষার শেষ আবেদন খারিজ করে দেয় ৩ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এরপরই পূর্ব নির্ধারিত সময়ানুযায়ী ভোর সাড়ে ৫টায় ফাঁসির সিদ্ধান্ত-ই বলবৎ থাকে। সেইমতো ভোর সোয়া ৫টায় ৪ দোষীকে ফাঁসির জন্য নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাদের শারীরিক পরীক্ষা (Medical Check up) হয়। তারপর ভোর সাড়ে ৫টায় দিল্লির তিহাড় জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় ৪ দোষীকে। নির্দিষ্ট সময় পর তিহাড় জেলের ডিরেক্টর সন্দীপ গোয়েল ৪ জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages